সরস্বতী পূজায় সকাল থেকে মণ্ডপ গুলোতে ভক্তদের ভিড়

সরস্বতী পূজায় সকাল থেকে মণ্ডপ গুলোতে ভক্তদের ভিড়

 হিন্দু স¤প্রদায়ের বিদ্যার্চনায় সরস্বতী প‚জা গতকাল ১৬ ফেব্রæয়ারি মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল থেকেই মন্দির গুলোতে ভক্তদের ভিড় ছিল লক্ষ্যনীয়। সকাল হতে না হতেই হিন্দু সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণীসহ সব বয়সী ভক্ত মন্দিরগুলোতে অঞ্জলি গ্রহণের জন্য ভিড় জমাতে থাকে। নারীদের সকালে ¯œান শেষে পূজার আয়োজনে ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা যায়। চাঁদপুর শহরের কালীবাড়ি মন্দির, গোপালজিউর আখড়া, রামকৃষ্ণ আশ্রম, গুহবাড়ি, গুয়াখোলা কুÐের বাড়ি, পুরাণবাজার হরিসভা মন্দির, দাসপাড়া, নিতাইগঞ্জ, বারোয়ারি মন্দিরসহ সকল মন্দিরেই ভক্তরা ভিড় জমাতে থাকে।

সরস্বতী পূজায় সকাল থেকে মণ্ডপ গুলোতে ভক্তদের ভিড়


সকাল ৯টা থেকে অধিকাংশ মন্দিরে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু করা হয়। সকাল ১০টায় মন্দিরগুলোতে পূজা শেষে অঞ্জলি প্রদান করা হয়। আর এ অঞ্জলি গ্রহণের জন্যই ভক্তরা মÐপ গুলোতে ভিড় জমাতে থাকে। দেবী সরস্বতী চরণে মাথা খুটে বিদ্যা অর্চনায় প্রার্থনায় ব্রত হয়। 

বিকেলের পর থেকে চাঁদপুুর জেলার বিভিন্ন উপজেলার আশপাশের ইউনিয়নগুলো থেকে ভক্তরা সরস্বতী পূজা উপভোগ করতে আসতে শুরু করে। গভীর রাত পর্যন্ত তারা চাঁদপুর শহরের নতুনবাজার ও পুরাণবাজার এলাকায় পূজামÐপ ঘুরে আনন্দ উপভোগ করে। এ বছর চাঁদপুরের ঐতিহ্য সরস্বতী পূজার শোভাযাত্রা বের না হওয়ার কারণে পূজার আয়োজকরা দু’ দিনব্যাপী সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শিশু কিশোরদের বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। এসব অনুষ্ঠান দেখে ভক্তরা আনন্দ উপভোগ করে। 

হিন্দু স¤প্রদায়ের মানুষ সরস্বতীকে বিদ্যার দেবী হিসেবে গণনা করে থাকেন। সেই লক্ষে পাড়া-মহল্লায়, মন্দিরে ও স্কুল কলেজে শিক্ষার্থীরা সরস্বতী প‚জার আয়োজন করেছে। আর হিন্দু যুবসমাজ সবচে বেশি আনন্দঘন পরিবেশে সরস্বতী প‚জার আয়োজন করে। প্রতিটি পূজামন্ডপে বাহারী আলোর প্রদর্শন ও ইকোসেটের উচ্চ শব্দে জনসাধারণের মারাত্মকভাবে ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছে। শহরের কোনো কোনো স্থানে সড়কের উপর প্রতিবন্দকতা সৃষ্টি করেও পূজার আয়োজন করা হয়েছে। ভোগান্তিতে পড়া জনসাধারণ মনে করেন প্রশাসন যদি সড়কের উপর থেকে এসব মÐপ সরিয়ে নির্দিষ্ট খোলা স্থানে পূজার আয়োজন করে তাহলে সকলেই উপকৃত হবে। 


Newer Posts Older Posts

Related posts